প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ফ্রান্স, ৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী মাক্‌রঁ

0
350

মধ্যপন্থীকেই বাছল ফ্রান্স, ৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী মাক্‌রঁ

ঝোড়ো নির্বাচনী প্রচার, টিভি বিতর্কে কাদা ছোড়াছুড়ি, শেষ-লগ্নে হ্যাকিংয়ের অভিযোগ— সব শেষ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে জিতে গেলেন ৩৯ বছর বয়সি মধ্যপন্থী নেতা ইমানুয়েল মাক্‌রঁ। রবিবার রাত আটটার সময়ে ভোট দেওয়া শেষ হয়

পূর্ব সমাচার

হ্যাকিং এর হাত থেকে রেহায় পায়নি সধারন জনগণ থেকে শুরু করে রেহায় পায়নি বিভিন্ন দেশের নেতাও। সম্প্রতি হ্যাকিং নিয়ে হট্টগোল এ বার ফরাসি ভোটেও। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াই। তার ঠিক আগে ভোটের দৌ়ড়ে বেশ কয়েক কদম এগিয়ে থাকা মধ্যপন্থী ইমানুয়েল মাক্‌রঁ অভিযোগ করলেন, তিনি ‘ব্যাপক’ হ্যাকিংয়ের শিকার।

কেউ কেউ বলছেন, পছন্দ তো করতে হবে প্লেগ আর কলেরার মধ্যে! তা হলে আর ভোট দিয়ে লাভ কী! তিন দিন পরেই ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াই। তার আগে ভোটারদের কারও কারও মধ্যে এখন এই মেজাজ। গত কাল দুই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী অর্থাৎ অতি-দক্ষিণ নেত্রী মারিন ল্য পেন এবং মধ্যপন্থী ইমানুয়েল মাক্‌রঁ-র টিভি বিতর্ক ছিল। তা ভোটারদের মনে কী প্রভাব ফেলেছে, বৃহস্পতিবার তার একটা আভাস মিলেছে।
সন্ত্রাসবাদ, অর্থনীতি, ইউরোপ— সব কিছু নিয়ে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মার-মার কাট-কাট বিতর্ক টিভিতে দেখেছেন দেশের ১৬ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষ। ফরাসি টিভি চ্যানেলের এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ৬০ শতাংশ মানুষ বলছেন, দু’জনের মধ্যে মাক্‌রঁকেই বেশি ভরসা করা যায়। মাক্‌রঁ-র উদারতা এবং বাজারমুখী সংস্কারের কাছে ল্য পেনের ‘সবার আগে ফ্রান্স, (ফ্রান্স-ফার্স্ট)— এই জাতীয়তাবাদ ফিকে ঠেকেছে, বলছেন সমীক্ষকরা। শেষ বেলায় মাক্‌রঁ-র হয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও। তিনি বলেছেন, “ফ্রান্সের সাফল্য গোটা বিশ্বের
কাছেই প্রাসঙ্গিক ।”
বুধবার অবশ্য টানা আড়াই ঘণ্টার বিতর্কে মাক্‌রঁ বা ল্য পেন—কেউ কাউকে এতটুকু জমি ছাড়েননি। একে অপরের বিরুদ্ধে যথেচ্ছ বিষোদ্গারও করেছেন। ল্য পেনের চোখে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এবং ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার মাক্‌রঁ (৩৯) ‘উচ্চবিত্তের প্রার্থী’ এবং ‘প্রতিষ্ঠানের চোখের মণি।’ তা ছাড়াও, মাক্‌রঁকে ‘উদ্ধত’, ‘বখে যাওয়া’ বলেছেন ল্য পেন। তরুণ মাক্‌রঁ জবাবে তাঁর চেয়ে ন’বছরের বড় ন্যাশনাল ফ্রন্টের প্রতিদ্বন্দ্বীর উদ্দেশে বলেন, “উনি দুর্নীতিগ্রস্ত, ভয়ঙ্কর জাতীয়তাবাদী। ওঁর অন্তরে প্রবল ঘৃণা। ঠিকঠাক কোনও তথ্য পর্যন্ত ওঁর কাছে নেই। ক্ষমতায় এলে ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ নিশ্চিত।”
কারও কারও মনে পড়ছে মারিন ল্য পেনের বাবা জঁ-মারির কথা। অতি দক্ষিণরা ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতাকে জীবনের অঙ্গ করে তুলতে পারেন— এই অভিযোগ তুলে ২০০২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত রাউন্ডে জঁ-মারির প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ প্রার্থী জাক শিরাক ওঁর সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিতেই আপত্তি


Warning: A non-numeric value encountered in /home/subarta/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1008